41499

মোদির বায়োপিকে নিষেধাজ্ঞা নির্বাচন কমিশনের

বিনোদন প্রতিবেদন
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট কোনওরকম সিদ্ধান্ত নিতে অস্বীকার করেছিল বিষয়টি প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে বলে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের কোপ এড়াতে পারল না ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বায়োপিক ‘পিএম নরেন্দ্র মোদি’। লোকসভা ভোট শেষ হওয়ার আগে ওই ছবির মুক্তি নয়, সাফ জানিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। আগামীকাল বৃহস্পতিবারই ছবির মুক্তির তারিখ নির্ধারিত ছিল। কিন্তু নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, এই ছবি মুক্তি পেলে রাজনৈতিক ‘পরিবেশ’ নষ্ট হতে পারে।

‘পিএম নরেন্দ্র মোদি’র মুক্তি পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। মামলাকারী কংগ্রেস কর্মী আমন পানওয়ারের যুক্তি ছিল, এই ছবি মুক্তি পেলে ভোটাররা প্রভাবিত হতে পারেন। কিন্তু সেন্সর বোর্ড এখনও ছবিকে ছাড়পত্র দেয়নি। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-এর বেঞ্চ তাই জানিয়েছিল, এখনই এই ছবি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। এমনকি, গুরুত্বহীন বিষয়ে শীর্ষ আদালতের ‘অনেক সময় নষ্ট হয়েছে’ বলেও মন্তব্য করেন প্রধান বিচারপতি।

তার পর আজ বুধবার ছবির মুক্তি আটকে দিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের কর্তারা জানিয়ে দিয়েছেন, পুরো ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই ছবি চালানো যাবে না। কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, ‘‘কারও জীবনের উপর ভিত্তি করে তৈরি বায়োপিকের বিষয়বস্তু রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বা ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করে। নির্বাচনের সময় এটা রাজনৈতিক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। তাই নির্বাচনী আচরণ বিধি বলবৎ থাকা পর্যন্ত এটা সিনেমা হল বা বৈদ্যুতিন কোনও মাধ্যমে দেখানো উচিত নয়।’’ তবে কমিশন এও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের কোনও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির প্যানেল বিষয়টি আরও নিখুঁত ভাবে খতিয়ে দেখবে।

সামান্য এক চাওয়ালা থেকে প্রধানমন্ত্রী, নরেন্দ্র মোদির এই জীবনযাত্রাই ‘পিএম নরেন্দ্র মোদি’র বিষয়বস্তু। মোদির ভূমিকায় অভিনয় করেছেন বিবেক ওবেরয়। ছবির বেশির ভাগ অংশের শুটিং হয়েছে গুজরাত, হিমাচল এবং দিল্লিতে। কিন্তু গোড়া থেকেই ভোটের মুখে এই ছবি মুক্তি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। শেষ পর্যন্ত এ ছবির মুক্তি আটকে গেল নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে।

ad

পাঠকের মতামত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *