41445

সহকর্মীদের শেষযাত্রায়ও ব্যস্ততার কারণে উপস্থিত থাকতে পারেন না নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা

বিশেষ প্রতিবেদন
যে যত বড়, যে তত বিনয়ী। তাহলেই সাধারণ মানুষের মনে স্থান করে নেওয়া যায়। কিন্তু আমাদের দেশের তারকা খ্যাতি পাওয়া বর্তমান প্রজন্ম ঠিক উল্টো পথে হাটেন। যে যত উপরে উঠেন তার ভাব তত বেড়ে যায়। কথা দিয়ে কথা না রাখা তাদের রেওয়াজ হয়ে গেছে। তাই বলে একজন সহকর্মীর শেষযাত্রায় আসা যাবে না। এতই ব্যস্ত সবাই। ব্যস্ততা থাকলে তো প্রচুর চলচ্চিত্র নির্মিত হতো। এদিকে সিনেমার অভাবে নাকি বন্ধ হচ্ছে সিনেমা হল। তাহলে? এই প্রশ্নের কোন উত্তর জানা নেই আমাদের।

আজ বেলা ১১টায় নির্ধারণ করা হয়েছিলো চলচ্চিত্রের শক্তিমান ও জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা টেলি সামাদের মরদেহ এফডিসিতে আনার সময়। মরদেহ এসেছিলো নির্ধারিত সময়ের আগেই। দীর্ঘদিনের সহকর্মীদের মধ্যে অনেকেই আসলেন তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে। শুধু আসলেন না নতুন প্রজন্মের কেউ। একজন সহকর্মীর জন্য তাদের মনে কোন প্রকার মায়া দেখা গেল না। এখনতো বেশিরভাগ মানুষ ফেসবুকে মায়া কান্না কাঁদেন। এবার সেটাও দেখা গেল না এ সময়ের অনেক তারকার ওয়ালে।

মৃত্যুর থেকে বড় কোন শোকতো থাকতে পারে না। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আপনারা সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারেন না, এটা মেনে নেওয়া যায়। তাই বলে একজন সহকর্মীর শেষযাত্রায় আপনাদের দেখা যাবে না? বড়দের দেখে শিখুন। এখনও সময় আছে।
প্রয়াত টেলি সামাদের আত্মার শান্তি কামনায় গতকাল এফডিসিতে এসেছিলেন নায়ক ও সাংসদ ফারুক, বরেণ্য চিত্রনায়ক আলমগীর, চিত্রনায়িকা অঞ্জনা, আলী রাজ, অমিত হাসান, সম্রাট, সংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর, রফিকুল আলম, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানসহ কয়েকজন পরিচালক ও প্রযোজক।

ad

পাঠকের মতামত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *