যে কারণে সালমান মুক্তাদিরকে আটক

দেশের আলোচিত ও সমালোচিত অভিনেতা এবং ভিডিও ব্লগার সালমান মুক্তাদিরকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায়, তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের সেফ ইন্টারনেট স্লোগানকে সামনে রেখে সালমান মুক্তাদিরকে ডিএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিটের কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেয়া হয়েছে।ডিএমপির সাইবার সিকিউরিটি ও ক্রাইম বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নাজমুল ইসলাম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কিছুদিন আগে সালমান মুক্তাদির তার ইউটিউব চ্যানেলে ‘অভদ্র প্রেম’ টাইটেলে একটি বিতকির্ত ভিডিও টিজার প্রকাশ করেন। ওই ভিডিও নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন সালমান মুক্তাদির। এরপর তার ইউটিউব চ্যানেলকে আনলাইক করে দেয়ার হিড়িক পড়ে যায়।এদিকে গেল সোমবার সালমান মুক্তাদিরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। ওই স্ট্যাটাসে সালমান মুক্তাদিরের অবস্থানও জানতে চান মন্ত্রী।

স্ট্যাটাসে মন্ত্রী লেখেন, ‘কেউ কি সালমান মুক্তাদিরের আজকের অবস্থা জানাতে পারবেন?’এরপর এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘আমি সালমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছি, এটা আমি করতেছি।’এর আগে গত রোববার ইন্টারনেটে অপেশাদার এবং অপ্রাসঙ্গিক ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে বিতর্কিত মডেল-অভিনেত্রী সানাই মাহবুব সুপ্রভাকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা নিয়ে ওইদিনই তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।প্রসঙ্গত, সরকার যুবসমাজকে রক্ষা করতে ইতোমধ্যে দেড় হাজার পর্নো ও জুয়ার সাইট বন্ধ করেছে।

নতুন প্রজন্মকে ইন্টারনেটের আপত্তিকর আসক্তি থেকে বের করে আনতে ইতিমধ্যে অশ্লীল কনটেন্ট, জুয়া বা বিপথগামী সাইট বন্ধ করে দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এর ধারাবাহিকতায় এবার দেশীয় সংস্কৃতি রক্ষায় টিকটক বন্ধের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার যুগান্তরকে বলেন, শুধু টিকটক নয় দেশীয় সংস্কৃতির জন্য হুমকি রয়েছে এমন সব ধরনের সাইট আমরা বন্ধ করে দিতে চাই।তিনি বলেন, আমি ইন্টারনেটকে নিরাপদ করতে চাই। আমার দেশ ইউরোপ না আমেরিকা না আমার দেশে বাংলাদেশ। তাই এ দেশের মানুষ, সমাজ, সাহিত্য, সংস্কৃতি সঙ্গে যায় না এমন কোনো কিছুকেই আমি রাখতে চাই না।এবার সেই অভিযানের অংশ হিসেবে সানাইকে সাইবার নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন বিভাগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে।

আগের সংবাদ
পরের সংবাদ