‘এই রাত যেনো না আসে আর আমার বাংলাদেশে’

বিনোদন ডেস্ক।।

‘এই রাত যেনো না আসে আর আমার বাংলাদেশে’। ছোট্ট একটি কথা। কথাটি কান্না দিয়ে মোড়ানো। কথাটি হাহাকার দিয়ে মোড়ানো। কথাটি হয়তো রাজধানীর মিরপুরের বস্তিতে ভয়াবহ আগুনের ইঙ্গিত। কিন্তু কথাটি ছুঁয়ে যায়, যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষকে। যেহেতু প্রতিটি শোকের রঙ মানেই কালো! আর এমন শোকে মূহ্যমান কথাটির ভেতরে অনেকেই খুঁজে পেতে পারেন ৭১টি তরতাজা জীবনে হঠাৎ বিভীষিকা নেমে আসার গল্প।

হ্যাঁ। বলছিলাম নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভূবন বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনার কথা। যেখানে ৭১টি তাজা প্রাণ বাংলাদেশ থেকে সোমবার দুপুরেই নেপালের উদ্দেশ্যে রওনা করেছিল। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪১ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে বলে জানা গেছে সেখানকার গণমাধ্যম মারফত। নয়জন এখনো নিখোঁজ রয়েছে। আর বাকিরা নেপালের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এমন শোকের ভার বইতে পারছে না বাংলাদেশ। বিমান বিধ্বস্তের পর থেকেই বাংলা জুড়ে চলছে রীতিমত শোকের মাতম। সোশাল সাইটেতো বটেই, টেলিভিশনের সামনে অসংখ্য মানুষ চেয়ে আছেন নেপালের দিকে। প্রার্থনা করছেন ঈশ্বরের কাছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি প্রার্থনার মিছিলেন শরীক হয়েছে দেশের শোবিজ অঙ্গনের মানুষেরাও।

বিমান দুর্ঘটনার খবর চাউড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নেপাল ভিত্তিক একটি ইংরেজি খবরের লিঙ্ক শেয়ার করে নির্মাতা ফারুকী বিস্ময় প্রকাশ করেন।

‘বাংলাদেশের উড়োজাহাজ নেপালে বিধ্বস্ত’-এমন শিরোনামের একটি সংবাদ নিজের ওয়ালে শেয়ার করে ‘ঢাকা অ্যাটাক’ খ্যাত নির্মাতা দীপঙ্কর দীপন লিখেন: ইশশ ..মেইনটেন্স নিয়ে আমি কতবার আশঙ্কার কথা বলেছি.. কতবার । আমাদের রক্ষা করুন।

বিমান বিধ্বস্তের খবর শোনা মাত্রই অভিনেতা ইরেশ যাকের লিখেন: যাত্রী ও ইউএস বাংলার বিধ্বস্ত বিমানটির ক্রু এবং তাদের পরিবারের জন্য ঈশ্বরের জন্য প্রার্থনা।

বিধ্বস্ত বিমান আর লাশের সারির দুটি ছবি পোস্ট করে ফেসবুকে অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী লিখেন: আমরা মর্মাহত, শোকাহত।

‘জাগো’ খ্যাত নির্মাতা খিজির হায়াত খান লিখেন: নিশ্চয় আল্লাহ দুর্ঘটনা কবলিত ইউএস-বাংলার সকল যাত্রীদের সাথে আছেন।

কাজী নওশাবা আহমেদ একটি নিউজ লিঙ্ক শেয়ার করে লিখেন: প্লিজ, প্রে!

ছোট পর্দার জনপ্রিয় নির্মাতা তানিম রহমান অংশু বলেন: বিমান দুর্ঘটনায় সকলের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক।

তখনো বিমান দুর্ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সবার মতোই অনিশ্চিত ছিলেন দেশের তারকারাও। বিমান দুর্ঘটনার খবর শুনেই তিনি লিখেছিলেন, প্রার্থনা! সবাই যেন সুস্থ থাকে।

চিত্রনায়িকা তানহা তাসনিয়া ইসলাম: Feeling too bad.. কাঠমান্ডুতে বিমান দুর্ঘটনায় আমরা শোকাহত।

বিমানে উঠার আগে বেশকিছু যাত্রী তাদের ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। অনেকেই যাওয়ার আগ মুহূর্তে বিমান বন্দরেই ছবি তুলেও পোস্ট করেছিলেন। যেগুলো দুর্ঘটনার পর অনেকেই শেয়ার করছেন। প্রার্থনা করছেন তাদের জন্য। যাত্রীদের এমন কিছু ছবি নিজের ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করে সংগীতশিল্পী শফিক তুহীন লিখেন: এমন খবরে সত্যিই আমরা স্তব্ধ।

এছাড়াও কাঠমান্ডুতে বিধ্বস্ত বিমানের যাত্রীদের উদ্দেশ্যে শোক প্রকাশ করেছেন অভিনয় শিল্পী, নির্মাতা, সংগীতশিল্পী, নাট্যকর্মীসহ শিল্প সাংস্কৃতি অঙ্গনের মানুষেরাও।

adv






আগের সংবাদ
পরের সংবাদ