তৈমুরের নাম বদলাতে চেয়েছিলেন সাইফ!

বিনোদন.কম।।
তৈমুরের নাম বিতর্ক মনে পড়়ে? হ্যাঁ, তৈমুর আলি খানের কথাই বলা হচ্ছে। জন্মের পর কেন সইফ আলি খান এবং করিনা কাপূরের ছেলের নাম তৈমুর রাখা হল, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কের ঝড় ওঠে। তবুও ছেলের নাম বদলাননি দম্পতি।

এনডিটিভির খবর অনুযায়ী, সম্প্রতি এক সাক্ষাত্কারে কারিনা জানিয়েছেন, সইফ নাকি বিতর্কের জেরেই তৈমুরের নাম পরিবর্তন করে ‘ফইজ’ রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কারিনা তাতে আপত্তি করেন। কোনো চাপের কাছে তিনি নতি স্বীকার করতে রাজি ছিলেন না। কারিনার মতে, তৈমুর নামের অর্থ লোহা। তিনি চান, তার ছেলেও নামের অর্থ অনুযায়ী একজন লৌহ মানব হয়ে উঠুক।

তৈমুর আলি খানের জন্মের পর প্রায় সকলেরই মুখে একটাই প্রশ্ন ছিল, কোন আক্কেলে তুর্কি-মোঙ্গল শাসক কুখ্যাত তৈমুর লঙ্গের নামে ছেলের নামকরণ করলেন সাইফ-কারিনা? এ প্রসঙ্গে সইফ বলেছিলেন, ‘‘গোটা বিশ্বের ইসলাম ফোবিয়া সম্বন্ধে আমি সচেতন। কিন্তু আমি তো ছেলের নাম রাম বা আলেকজান্ডার রাখব না। তা হলে ছেলের একটা ভাল মুসলিম নামও রাখতে পারব না? তাকে ধর্মীয় মূল্যবোধ শিখিয়ে বড় করব। যাতে যে কোনো লোক যখন তাকে দেখবে যেন বলে, বাহ্! ছেলেটাতো খুব সুন্দর।’’

কিন্তু তুর্কি শাসক তৈমুর লঙ্গের কথা কি তারা জানতেন না? ছেলের নাম রাখার আগে একবারও কি তার কথা মনে হয়নি? সাইফ জবাব দিয়েছিলেন, ‘‘আমি ওই তুর্কি শাসকের কথা জানি। কিছুটা স্বৈরাচারীও ছিলেন। কিন্তু তিনি ছিলেন তিমুর। আর আমার চেলে তৈমুর। দু’টো শুনতে এক মনে হলেও আসলে আলাদা। নামে সত্যিই কিছু যায় আসে না। আর সে দিক দিয়ে দেখতে গেলে রাজা অশোক বা আলেকজান্ডারও তো স্বৈরাচারী ছিলেন।’’

মুখে এ কথা বললেও ছেলের নাম নাকি বদলে ফেলতে চেয়েছিলেন সাইফ। অন্তত সাম্প্রতিক সাক্ষাত্কারে তেমনটাই দাবি করেছেন কারিনা।

adv






আগের সংবাদ
পরের সংবাদ